জুনিয়র অডিটর বা অডিটর এর কাজ কি? যোগ্যতা, পদোন্নতি এবং গাইডলাইন

একটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কার্যক্রম যেন সরকারি নিয়মনীতি ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করার জন্য একজন অডিটর কাজ করে থাকেন। বিভিন্ন সরকারী বিল নিরীক্ষা, বেতন সেংশন, অর্থ পরিশোধ, হিসাব তৈরি, বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের হিসাব পরিদর্শন, হিসাব রাখা, বাজেট প্রস্তুত, নিয়ন্ত্রন ও পর্যালোচনাকরণ, কাশ ব্যস্থাপনা, ভাণ্ডার হিসাব ইত্যাদিও জাতীয় কাজ রয়েছে যা তারা পালন করে থাকে। এর বাইরে আইন ও নিয়ম-কানুন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহন /প্রদান/প্রস্তাব উত্থাপন করা অডিটরের কাজ। এর বাইরেও আরো কাজ আছে! সময় ও সুবিধা অনুযায়ী কাজ করতে হয়। এই কাজ গুলোতেই একজন অডিটর এবং জুনিয়র অডিটর সরাসরি অংশ গ্রহণ করে থাকে। কাজের ধরন সহজ বা কঠিন হতেও পারে কিন্তু তারা ট্রেনিং পায় বলে নিজেরা কাজ বুঝে যায়। মাসের শেষের দিকে কাজের চাপ তুলনামূলক বেশি থাকে। উল্লেখ্য, এই পদ দু’টির অফিস টেবিল খুব দামী এবং শক্ত হয়ে থাকে, কারণ সবসময়ের জন্য ফাইলের জ্যাম আপনার টেবিলেই লেগে থাকে।

জুনিয়র অডিটর বা অডিটর এর কাজ কি?

আসলে অফিসের টুকিটাকি যে কাজগুলো রয়েছে হিসাব সংক্রান্ত নোটিশ সংক্রান্ত তথ্য সংক্রান্ত যেগুলো করা হয় সেগুলো মূলত করে থাকেন জুনিয়র অডিটর।  এই কাজগুলো সিনিয়র অডিটর করে থাকেন বা জুনিয়র অডিটর দিকে তারা সাহায্য করে থাকেন সিনিয়র লিডাররা যেমন অনেকদিন কাজটি করার ফলে তাঁরা সহজেই এই কাজগুলো সম্পর্কে জানেন। জুনিয়র অডিটর এ কাজগুলো সম্পর্কে খুব দ্রুত কিছু জানেনা যার ফলশ্রুতিতে তাদেরকে কিছুটা সময় লেগে যায় ।

অডিটর বা জুনিয়র অডিটর হিসেবে বিল নিরীক্ষা ,অর্থ পরিশোধ , হিসাব তৈরি ইত্যাদি কাজ গুলো বেসিক। কিন্তু হিসাব রাখা, বাজেট প্রস্তুত, নিয়ন্ত্রন ও পর্যালোচনাকরণ, কাশ ব্যস্থাপনা, ভাণ্ডার হিসাব ইত্যাদিও কাজ রয়েছে যা তারা পালন করে থাকে। এই কাজ গুলোতেই একজন অডিটর সরাসরি অংশ গ্রহণ করে থাকে। কাজের ধরন সহজ বা কঠিন হতেও পারে কিন্তু তারা ট্রেনিং পায় বলে নিজেরা কাজ বুঝে যায়।

পড়ুনঃ ফায়ার ফাইটার এর কাজ কি? যোগ্যতা, বেতন এবং পদোন্নতি-ফায়ার সার্ভিস

জুনিয়র অডিটর এবং অডিটর পদের কাজের ক্ষেত্র কোথায়?

  • আর্থিক লেনদেনকারী সকল প্রতিষ্ঠান, যেমন: ব্যাংক ও বীমা
  • সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভাগ
  • বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগ সংস্থা
  • কনসাল্টেন্সি ফার্ম

একজন অডিটর কী ধরনের কাজ করেন?

  • সরকারি নিয়মনীতি ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বিধি অনুযায়ী আর্থিক কার্যাবলি পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা;
  • বিল-ভাউচারসহ বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই করা;
  • প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের বিস্তারিত হিসাব রাখা ও এর ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা;
  • প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাবে ভুল থাকলে সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে জানানো ও ভুল ঠিক করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া;
  • প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেয়া;
  • প্রতিষ্ঠানের অডিট নিয়ে কোন তদন্ত হলে সে ব্যাপারে সহযোগিতা করা।

জুনিয়র অডিটর পদে চাকরির শিক্ষাগত যোগ্যতা কি

এইচএসসি বা সমমানের পাশ হলে জুনিয়র অডিটর পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। জুনিয়র অডিটর ১৬ তম বা ৩য় শ্রেনীর চাকরি। তবে গ্রেডের পাল্লায় এটাকে না মাপা যুক্তিযুক্ত হবে, অন্যান্য একই গ্রেডের জবের থেকে এটা অনেক অনেক গুন ভালো।

পড়ুনঃ কর্পোরেট দুনিয়া থেকে পাওয়া সেরা শিক্ষাগুলি কী কী? উন্নতির ১০ টিপস

জুনিয়র অডিটরের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

  • নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গাণিতিক হিসাব করার দক্ষতা;
  • পরিসংখ্যানভিত্তিক জ্ঞান;
  • বিশ্লেষণী ক্ষমতা;
  • মাইক্রোসফট এক্সেলসহ হিসাব সংরক্ষণ ও ডাটা অ্যানালিসিসের সফটওয়্যারে পারদর্শিতা;
  • মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা;
  • ধৈর্য;
  • খুঁটিনাটি বিষয়ে মনোযোগ দেবার দক্ষতা;
  • বিচক্ষণতা ও কৌশলী মনোভাবের অধিকারী হওয়া।

জুনিয়র অডিটর পদ চাকরির গ্রেড এবং পদোন্নতি

জুনিয়র অডিটর পদ 16 তম গ্রেডের একটি পদ।  তবে আপনি যদি প্রথমে জুনিয়র অডিটর হিসেবে নিয়োগ পেয়ে থাকেন এবং পরবর্তীতে আপনি যদি আপনার দক্ষতা দেখাতে পারে তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে আপনি সিনিয়র হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে যাবেন। জুনিয়র অডিটর মূলত জুনিয়র অডিটর দেরকে তদারকি করে কাদের কাজের দেখভাল করে থাকে এবং তাদের কাজের প্রতি নির্দেশনা এবং কাজগুলো শিখিয়ে দেয়ার দায়িত্ব থাকে। আপনি হিসাবে জুনিয়র অডিটর চাকরিতে ঢুকে ২/৩ বছর পর অটোমেটিক অডিটর পদে পদোন্নতি পাবেন । তারপর আরো ৩/৪ বছর পর আপনি সাব অর্ডিনেট সার্ভিস দিবার জন্য যোগ্য হবেন । তারপর ঠিক অডিটর পদের মত আপনার উথা নামা হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে আপনার কর্মজীবন শুরু হবে একজন অডিট অফিসার (বিসিএসের ক্ষেত্রে সহকারী মহা-হিসাব রক্ষক) কিংবা অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসাবে। পদোন্নতি পেয়ে অডিটর জেনারেল পর্যন্ত হবার সুযোগ আছে। এখন চিন্তা করেন কোন ১৬ গ্রেডের জবে ঢুকে আপনি এইরকম পদোন্নতি এর সুযোগ পাবেন ? পাবেন না কোন ১৬ গ্রেডের চাকরিতে।

আরও পড়ুনঃ অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী পদের কাজ, যোগ্যতা এবং বেতন কত?

জুনিয়র অডিটরের কাজের ধরন এবং বেতন স্কেল

অডিটরের মূল কাজ নিরীক্ষা করা! বিল, ভাউচার নিরীক্ষা করাই মূল কাজ। এর বাইরে আইন ও নিয়ম-কানুন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহন /প্রদান/প্রস্তাব উত্থাপন করা অডিটরের কাজ! আমাদের ডিপার্টমেন্টে মূলত এগুলোই হয়। এর বাইরেও আরো কাজ আছে! সময় ও সুবিধা অনুযায়ী কাজ করতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে আপনার কর্মজীবন শুরু হবে একজন অডিট অফিসার (বিসিএসের ক্ষেত্রে সহকারী মহা-হিসাব রক্ষক) কিংবা অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসাবে। পদোন্নতি পেয়ে অডিটর জেনারেল পর্যন্ত হবার সুযোগ আছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে চিফ অডিটর হতে পারবেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত কনসাল্টেন্সি ফার্ম খুলে ভালো উপার্জন করা সম্ভব।

বেতনক্রম ২০১৫ সালের বেতন স্কেল অনুযায়ী- অডিটর পদে বেতন পাবেন ১২৫০০-৩০২৩০ টাকা, এবং জুনিয়র অডিটর পদে ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা। প্রমোশন কিছুটা স্লো। শূণ্য পদ খালি থাকা স্বাপেক্ষে প্রমোশন হয়। এই চাকরির ভবিষ্যৎ আর দশটা সরকারি চাকরির মতোই! অডিট অফিসে বিভাগ পরিবর্তন করে যাওয়া যায়, তবে তা বেশ জটিল ও সময়সাপেক্ষ! তবে তার থেকে সহজ যদি আপনি এসএএস পাস করতে পারেন(অডিটের একটি কোর্স, পার্ট ১ ও পার্ট ২ আছে। পরীক্ষার সারকুলার হয়)। এতে করে সহজেই সিজিএ অফিসে বদলি হয়ে যাওয়া যায়!  জুনিয়র অডিটর, অডিটর, সাব-অর্ডিনেট অ্যাকাউন্টস অডিটরদের চেয়ে নিম্ন স্কেলে থাকা সচিবালয়ের সহকারী হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, উপজেলা  তৃতীয় শ্রেণির পদমর্যাদার এই জুনিয়র অডিটররা ১৬তম গ্রেডে জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী অডিটর পদে মাসিক বেতন ৳১২,৫০০ – ৳৩০,২৩০। অন্যদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি লেভেলে গড়ে ৳২০,০০০ – ৳২৫,০০০ আয় করতে পারবেন।

অডিটর পদে চাকরির শিক্ষাগত যোগ্যতা কি?

স্নাতক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে অডিটর পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অডিটর পোস্টটি মূলত ১১তম গ্রেডের মানে তৃতীয় শ্রেনীর। এখানে ১১তম গ্রেড ২য় শ্রেনী হিসেবে ধরা হয়না।

অডিটর পদ চাকরির গ্রেড এবং পদোন্নতি

অডিটর মূলত ১১তম গ্রেডের ৩য় শ্রেণীর চাকরি। তাই আপনি অডিটর হিসাবে যোগ দিলে আপনার গ্রেড হবে ১১ তম। কিন্তু ভাল খবর হল এই ১১ গ্রেডকে দ্রুত ১০ম গ্রেডে নেয়া হচ্ছে । তখন অডিটর পোস্ট হবে ১০ম গ্রেডের জব। ১১তম হলেও পদটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তাই এর ডিমান্ডও রয়েছে ভালোই স্থানীয় সিজিএ অফিসগুলোতে।

সম্পর্কিতঃ ব্যাংকে জুনিয়র ও সিনিয়র অফিসারের কাজ কি? স্কেলসহ বেতন-ভাতাদি

অডিটর ও জুনিয়র অডিটর নিয়োগ প্রস্তুতির গাইডলাইন

নিয়োগ পরীক্ষা ২ ধাপে হয়ঃ ১। লিখিত (শুধু প্রিলি) ২। মৌখিক/ভাইভা (তবে জুনিয়র অডিটর নিয়োগে কম্পিউটার অপারেটিংয়ের উপর এক্সট্রা একটা ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে হয়)

নিম্নে লিখিত ও মৌখিক পরিক্ষার পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন দেওয়া হলঃ

বিগত পরীক্ষাগুলোয় দেখা গেছে, অডিটর ও জুনিয়র অডিটর পদের লিখিত পরীক্ষা(MCQ) হয় ৭০ নম্বরের।

অডিটর পদে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান ও গণিত বিষয়ে প্রশ্ন হয়ে থাকে। তবে মাঝেমধ্যে দৈনন্দিন বিজ্ঞান থেকেও প্রশ্ন আসে।

আর জুনিয়র অডিটর পদে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞানের পাশাপাশি কম্পিউটার থেকে প্রশ্ন আসে। বাংলা অংশে সাহিত্য ও ব্যাকরণ থেকে প্রশ্ন হয়। বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাহিত্যকর্ম, চরিত্র, উক্তি, শুদ্ধ বানান, পদ, প্রবাদ প্রবচন, সন্ধিবিচ্ছেদ, বাক্য গঠন, সমাস, উপসর্গ, লেখকের ছদ্মনাম ইত্যাদির ওপর প্রশ্ন হয়ে থাকে।

প্রফেসর’স / অগ্রদূত বাংলা / জর্জ এমপিথ্রি প্রিলিমিনারি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য’বইটি দেখতে পারেন।

গ্রামার থেকে প্রশ্ন আসে ইংরেজি অংশে। প্রশ্নে সাধারণত ফ্রেইজ অ্যান্ড ইডিয়মস, কারেকশন, ফিল ইন দ্য ব্লাংক, পেয়ার অব ওয়ার্ড, সাবজেক্ট ভারব অ্যাগ্রিমেন্ট, সিনোনিমস অ্যান্ড অ্যান্টোনিমস, সেন্টেন্স মেকিং থাকে। এ অংশের জন্য পড়তে পারেন প্রফেসরসের ‘ইংলিশ ফর কমপিটেটিভ এক্সামস’ বইটি।

সাধারণ জ্ঞান থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হতে দেখা যায়। প্রশ্ন হয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি থেকে। প্রফেসর’স/ জর্জ এমপিথ্রি প্রিলিমিনারি সিরিজের বইগুলো পড়া যায়। জোর দিতে হবে বিগত বছরের বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নের উপর। সাম্প্রতিক সময়ের ঘটনা জানতে মাসিক সাময়িকীগুলো পড়লে ভালো ফল পাবেন। গণিত অংশে সাধারণত সুদ-আসল, লসাগু-গসাগু, সংখ্যা, স্থানাঙ্ক, মান নির্ণয়, ত্রিভুজ, কোণসম্পর্কিত প্রশ্ন হয়। এ অংশের জন্য আয়ত্তে রাখতে হবে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির গণিত বইগুলো। পাশাপাশি প্রফেসর’স প্রকাশনীর জব সলিউশন পড়তে পারেন।

জুনিয়র অডিটর প্রার্থীদের বাড়তি কম্পিটারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ অংশের জন্য কাজে আসবে ‘ইজি কম্পিউটার’ বইটি । বইটি যে কোন পাবলিক লাইব্রেরিতে পেয়ে

টিপসঃ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাইলে কি কি যোগ্যতা লাগে | সহজ ৫টি টিপস

ভাইভাঃ অডিটর ও জুনিয়র অডিটর নিয়োগের ভাইভা বোর্ডে যে ধরনের প্রশ্ন করতে পারে-

১। আপনার পরিচিতি সংক্রান্ত: আপনার নাম, ঠিকানা(জেলা, থানা বা গ্রাম), আপনার বাবার নাম, মায়ের নাম, তাদের পেশা, আপনার বর্তমান পেশা ও আপনি বর্তমানে কি করছেন? মহাপরিচালকের নাম কি

২। লিখিত পরীক্ষা সংক্রান্ত: লিখিত পরীক্ষায় যে সকল প্রশ্ন আপনি উত্তর দিতে পারেন নি, বা যে উত্তর গুলো সঠিক দিয়েছিলেন সেখান থেকেও আপনাকে প্রশ্ন করতে পারে।

৩। আপনি কোন বিষয়ে লেখা পড়া করেছেন? আপনার বিষয়ের উপর পরীক্ষক আপনাকে প্রশ্ন করবেন। যেমন: আপনার বিষয় যদি হয় ইতিহাস তবে আপনাকে ইতিহাস হতে প্রশ্ন করা হবে, যদি হয় অর্থনীতি তবে অর্থনীতি হতে প্রশ্ন করা হবে।

৪। Accounting কি? কাকে বলে? Pre-Audit কি? Post Audit কি? ইত্যাদি বিষয়গুলো হতে প্রশ্ন হতে পারে। Auditor কাকে বলে? Audit ও Auditor এর মধ্যে পার্থক্য কি? Direct cost or Indirect cost এর মধ্যে পার্থক্য কি? Process Costing কি?

৫। বাংলা হতে ইংরেজী অনুবাদ করুন! অথবা ইংরেজী হতে বাংলা অনুবাদ।(অনুবাদের ক্ষেত্রে হুট করে উত্তর দিবেন না, কিছুটা সময় নিয়ে উত্তর দিন! এর উত্তর ভুল হলে পরীক্ষকগন সহজ ভাবে নিতে পারেন না )

৬। বীজগনিত এর সহজ কোন সূত্র জিজ্ঞেস করতে পারে।

৭। বাংলাদেশের ইতিহাস হতে প্রশ্ন হতে পারে। বর্তমানে দেশের সংসদ, সাংসদ, প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ন পদে যারা আছেন তাদের নাম মনে রাখা জরুরী। আর যারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পরীক্ষা দিবেন তারা মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ দিন তারিখ ও ব্যক্তির নাম মনে রাখবেন। পাশাপাশি আপনি যার “মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট” নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছেন তার সেক্টর, সেক্টর কমান্ডার হতে শুরু করে দিন তারিখমনে রাখবেন।

৮। পাটিগণিত হতে সহজ অংক জিজ্ঞেস করতে পারে, সাধারনত শতকরা হার, ট্রেনের গতি, বানরের বাঁশ বেয়ে উঠা বহুল প্রচলিত অংকগুলো মুখে জিজ্ঞেস করতে পারে! সাথে সাথে সঠিক উত্তর দিতে পারাটা আপনার জন্য পজেটিভ।

এছাড়া জুনিয়র অডিটর পদে সবাইকে কম্পিউটারে টাইপিং পরীক্ষা দিতে হবে। টাইপিং বাংলা এবং ইংরেজী ২ টাই দিতে হবে! সময় নির্দিষ্ট করা থাকবে। উক্ত সময়ের মধ্যেই টাইপ শেষ করতে হবে। টাইপের পাশাপাশি আপনাদের ভাইভা পরীক্ষাও দিতে হবে। এছাড়া যারা চূড়ান্তভাবে চাকরি পাবেন তাদের দ্বিতীয় বার আবার টাইপিং পরীক্ষা দিতে হবে। পরবর্তী পরীক্ষায় যারা পাশ করবেন তারা ইনক্রিমেন্ট পাবেন।

জুনিয়র অডিটর এর কাজ কি? এ সম্পর্কে আপনার যদি কোন কিছু জানা থাকে বা কোন তথ্য থাকে যা এখানে উল্লেখ করা হয়নি তাহলে সেটি অবশ্যই কমেন্টে শেয়ার করতে অনুরোধ রইলো।

আরও জানতে চান?

Leave a Comment