বিমান বাহিনীর এমওডিসি কি এবং এর কাজ কি? বিস্তারিত দেখুন

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনটি পৃথক এমডিসি ইউনিট যেমন এমওডিসি (সেনাবাহিনী), এমওডিসি (নৌবাহিনী) এবং এমওডিসি (এয়ার) মন্ত্রণালয় প্রতিরক্ষা কনস্টেবলির (এমওডিসি) মন্ত্রণালয় উত্থাপন করার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। 18/4 / ডি -1 / / 73 / তারিখ তারিখ 23 জানুয়ারী 1974। এমওডিসি (এয়ার) এয়ার ফোর্স ইনস্টলেশনের রক্ষার নির্দিষ্ট ফাংশনের জন্য উত্থাপিত হয়েছে। নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, র‍্যাঙ্ক গঠন, প্রশাসন, ছুটি, বেতন ও ভাতা, পোশাক স্কেল, বাসস্থান এবং রেশনিং সরকারী আদেশ দ্বারা পরিচালিত হয়।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যারা এমওডিসি পদে যোগদান করতে ইচ্ছুক তাদের সকলকে স্বাগত জানাচ্ছি আজকের এই পোষ্টটিতে । ধৈর্য্য সহকারে পুরো পোষ্টটি পড়ুন কেননা এই পোষ্টটিতে খুবই গুরুত্বপূর্ন টিপস এবং ট্রিকস দেয়া হয়েছে । যে বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে তা নিম্নে বর্ণিত করা হলো :

বিমান বাহিনীর এমওডিসি কি?

মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স কন্সটেবলারি (এমওডিসি) বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীগুলোর অন্যতম এক বাহিনী যারা দেশের সার্বভোমত্ব রক্ষায় দেশের আকাশ সীমার দায়িত্বে নিয়োজিত। দক্ষ এই বাহিনী পরিচালনার জন্য প্রয়োজন নিবেদিত প্রাণ জনবলের। সেই জনবলের চাহিদা পূরণে বিমান বাহিনী অফিসার, বিমানসেনা, এমওডিসি ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী পদে নিয়োগ দিয়ে থাকে।

বিমান বাহিনীর এমওডিসি এর কাজ কি?

সকল প্রতিষ্ঠান তাদের জনবল নিয়োগে উক্ত পদের কাজের বর্ণনা দিয়ে থাকে। আমরা জানি বিমান বাহিনী একটি দক্ষ ও সুশিক্ষিত বাহিনী। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব পালনে অন্য সামরিক বাহিনীগুলোর মত বিমান বাহিনীর কিছু নির্দিষ্ট ভূমিকা রয়েছে। তাই আমরা প্রাথমিকভাবে বলতে পারি এই বাহিনীর সকল সদস্যের কাজ প্রথমত দেশ রক্ষা করা, দেশের স্বার্থে যে কোনো দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য এই বাহিনীর সকল সদস্য। এর বাহিরেও সকল সদস্য পদ ও যোগ্যতা অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক দায় দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

মিনিষ্ট্রি অফ ডিফেন্স কন্সটেবলারি (MODC) এর কাজ হলো বিমান বাহিনীর বিমান ঘাটিঁর গেটে ডিউটি করা । সহজভাবে বলতে গেলে MODC এর মূল কাজ হলো সিকিউরিটি গার্ড বা বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ক্ষেত্র পাহারা দেয়ার মতো ‍। MODC পদ থেকে খুব কম সংখ্যক মিশন দেয়া হয়ে থাকে । বিমানবাহিনীর MODC এবং Airman এর পদমর্যাদা অনেকটাই সমান সমান । Airman চাকরির শুরুতে বেতন দেওয়া হয় ৯০০০ টাকা এবং MODC পদের শুরুতে বেতন দেয়া হয় ৮৮০০ টাকা।

পড়ুনঃ ফায়ার ফাইটার এর কাজ কি? যোগ্যতা, বেতন এবং পদোন্নতি-ফায়ার সার্ভিস

এমওডিসি পদে নিয়োগের যোগ্যতা কি

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সকল পদ (অফিসার, বিমানসেনা, এমওডিসিসহ বেসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী)-এ নিয়োগে রয়েছে আলাদা আলাদা যোগ্যতার শর্ত। শুধুমাত্র যোগ্যতার শর্ত পূরণে যোগ্য প্রার্থীরা এই বাহিনীর নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে। এমওডিসি পদে নিয়োগে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে নিচের যোগ্যতাগুলো থাকা আবিশ্যিক।

  • প্রার্থীকে জন্মসূত্রে অবশ্যই বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।
  • এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ২.০০ থাকতে হবে।
  • প্রার্থীকে আবিবাহিত (তালাকপ্রাপ্ত নয়) হতে হবে।
  • প্রার্থীকে ১৬ থেকে ২১ বছর বয়সী হতে হবে। বয়সের ক্ষেত্রে হলফনামা গ্রহণযোগ্য নয়।
  • শারীরিক যোগ্যতার ক্ষেত্রে প্রার্থীকে কমপক্ষে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতা, এবং বুকের মাপের ক্ষেত্রে ৩০ ইঞ্চি সম্প্রসারণ ৩২ ইঞ্চি হতে হবে।
  • প্রার্থীর দৃষ্টিশক্তি ৬/৬ থাকতে হবে।
  • ওজন বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী হতে হবে।

উপরের শর্তাবলী পূরণে যোগ্য একজন প্রার্থী আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে।

বি:দ্র: MODC পদটিতে শুধুমাত্র ছেলেরাই আবেদন করতে পারবেন ।

এমওডিসি পদে নিয়োগের অযোগ্যতা

যেহেতু বিমান বাহিনী সামরিক বাহিনীগুলোর একটি বিশেষ শাখা তাই এই বাহিনীতে ভর্তি বা নিয়োগে যেমন বিশেষ কিছু শর্ত আছে তার পাশাপাশি রয়েছে এমন কিছু নিয়ম বা শর্ত যেগুলো থাকলে একজন এই বাহিনীর চাকুরিতে আবেদন কিংবা চাকরি করতে পারবেব না। তার মধ্যে অন্যতম যার জন্য এমওডিসি পদে আবেদন করা যাবে না তা হলো

  • ফৌজদারি কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত কিংবা সাজাপ্রাপ্ত।
  • সেনা/নৌ/বিমান বাহিনী কিংবা সরকারি কোনো চাকরি হতে অপসারিত/বহিষ্কৃত/স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা।

এমওডিসি পদে নিয়োগে ভর্তি পরীক্ষার বিষয়

বিমান বাহিনীর নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষায় (এসএসসি ও সমমানের) বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় পাশ করা প্রার্থীদের ডাক্তারি ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়।

সম্পর্কিতঃ সেনাবাহিনীর জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার এর কাজ কি? নিয়োগ পদ্ধতির বিস্তারিত

এমওডিসি পদে আবেদন প্রক্রিয়া

মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স কন্সটেবলারি (এমওডিসি) নিয়োগে আবেদনের ক্ষেত্রে আনলাইন বা ডিজিটাল পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। এছাড়া, নির্দিষ্ট পরিমাণ আবেদন ফি নির্ধারিত ব্যাংক মাধ্যমে পে-অর্ডার করে আবেদন ফরম সংগ্রহ করত আবেদন করা যায়।

MODC পরীক্ষাটি ৩ টি ধাপে সম্পন্ন করা হবে ।

অর্থাৎ,

১. লিখিত পরীক্ষা

২. শারিরীক পরীক্ষা

৩. মৌখিক পরীক্ষা

অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি

অনলানে আবেদনের ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীকে বিমান বাহিনীর ক্যারিয়ার ওয়েবসাইট https://joinairforce.baf.mil.bd/ এর Apply Now বাটনে ক্লিক করে স্ক্রিনে দেখানো শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নির্দেশনা মোতাবেক নির্ধারিত আবেদন ফি ডিজিটাল মাধ্যমে পরিশোধ করা হলে আবেদন প্রাক্কালে প্রদেয় মোবাইল নম্বরে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রেরন করা হবে। পরবর্তীতে উক্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রার্থী তার আবেদন ফরম পূরণ ও ডাউনলোড করতে পারবেন। উক্ত ফরম প্রিন্ট করত ছবি ও অন্যান্য কগজপত্র সংযুক্ত করে পরীক্ষার দিন নিয়ে আসতে হবে।

আবেদন করতে প্রয়োজনীয় সনদ

মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স কন্সটেবলারি (এমওডিসি) নিয়োগে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে নিচের সনদগুলো ভর্তি পরীক্ষার সময় আবেদন পত্রের সাথে নিয়ে আসতে হবে।

  • সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সাময়িক সনদ, প্রশংসাপত্র এবং নম্বরপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
  • নাগরিকত্ব, চারিত্রিক সনদ, বৈবাহিক অবস্থা ও স্থায়ী ঠিকানা সনদের মুল কপি যা জমা দিতে হবে। স্ব-স্ব ইউনিয়ন পরিষদ/মিউনিসিপ্যাল চেয়ারম্যান/কাউন্সিলর অথবা ৯ম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং মোবাইল নম্বর উল্লেখ থাকতে হবে।
  • সম্প্রতি তোলা ১২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি।
  • চাকুরীরত প্রার্থীগণ তাদের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান/কর্মস্থল হতে আবেদনের অনুমতিপত্র।
  • স্থায়ী ঠিকানা প্রমাণ করতে জন্ম সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্রের মুল কপি দেখাতে হবে।
  • সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক চারিত্রিক সনদপত্র।
  • প্রযোজ্যক্ষেত্রে সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইকুইভ্যালেন্স কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত ইকুইভ্যালেন্স সনদের সত্যায়িত কপি।
  • বর্তমান ঠিকানাসহ ৯×৪ ইঞ্চি সাইজের একটি ফেরত খাম।

আরও পড়ুনঃ এয়ার হোস্টেস বা বিমান বালা হতে চাইলে কিভাবে প্রস্তুতি নিবেন?

পরীক্ষার সিলেবাস এবং কীভাবে পরীক্ষার জন্য প্রিপারেশন নিবেন

বিমান বাহিনীর মিনিষ্ট্রি অফ ডিফেন্স কন্সটেবলারি পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষা ৫০ মার্কের হয়ে থাকে । এর মধ্যে বাংলা ২৫ এবং ইংরেজী ২৫ মার্কের নেয়া হয়। পরীক্ষায় মূলত ক্লাস Nine এবং ক্লাস Ten এর বই থেকেই সবগুলো প্রশ্ন করা হয়। পরীক্ষায় প্রস্তুতি নেয়ার জন্য নিচে বাংলা ও ইংরেজী প্রশ্নপত্রের কিছু আইডিয়া দেয়া হয়েছে।

বাংলা :

* কবির জন্ম-মৃত্যু সাল

* কোন কবি কোন কাব্য গ্রন্থ লিখেছেন

* যুক্তবর্ণ (বাংলা ২য় পত্র)

* এক কথায় প্রকাশ

* সন্ধিবিচ্ছেদ

বাংলা পরীক্ষায় প্রিপারেশন নেয়ার জন্য  ক্লাস Nine, Ten এর বই থেকে কবি পরিচিতি এবং পাঠ পরিচিতি এই দুটিই পড়বেন, এর কারণ হলো কবি পরিচিতি পড়লে জন্ম মৃত্যু সাল জানা যাবে এবং পাঠ পরিচিতি পড়লে কোন কবি কোন গ্রন্থটি লিখেছেন সেটি জানতে পারবেন ।

ইংরেজী :

* Article

* Preposition

* Voice Change

* Sentence correction

* Tense (important)

সবশেষে বলা যেতে পারে পরীক্ষায় যাওয়ার আগে কবি পরিচিতি এবং পাঠ পরিচিতি এই দুটি একটু ভালো করে পড়ে গেলেই হবে এবং ইংরেজী 2nd paper থেকে Grammartical গুলো পড়ে গেলেই হবে ।

লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর

লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর পরবর্তীতে মেডিকেল করানো হয় এবং মেডিকেল এ পুরোপুরি ফিট থাকলে আপনাকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত নিতে হবে । মৌখিক পরীক্ষা অনেক সময় দেখা যায় পরের দিন নেয়া হয় । মৌখিক পরীক্ষায় সাধারণত যে বিষয়গুলো সবচেয়ে কমন প্রশ্ন হিসেবে থাকে, তা হল:

১. নিজের সম্পর্কে কিছু বলা

২. বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে তুমি যোগদান করতে চাও কেন

৩. তোমার নিজের জেলা কিসের জন্য বিখ্যাত

৪. দুই কিংবা তিন লাইনের ইংরেজী থেকে বাংলা অথবা বাংলা থেকে ইংরেজী ট্রান্সলেসন নেয়া হয় ।

উপরে উল্লিখিত প্রশ্নগুলো প্রায় অধিকাংশ বাহিনীর মৌখিক পরীক্ষায় নেয়া হয় ।

যারা পুরোপুরি মন স্থির করে পরীক্ষার জন্য তৈরি হতে চান তারা  পরীক্ষায় প্রস্তুতি নেয়ার জন্য ডিফেন্স একাডেমীর (Defense Academy) “ ফাইটার্স ” বইটি পড়তে পারেন । এই বইটি শুধুমাত্র বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর টেকনিক্যাল, নন-টেকনিক্যাল, এমওডিসি ও অন্যান্য পদের জন্য । বিমান বাহিনীর নিয়োগের জন্য প্রিপারেশন নিতে এই বইটি খুবই শর্ট সিলেবাসে স্বল্প সাজেশনে তৈরি করা হয়েছে, ফাইটার্স বইটি আপনি বাজারে কোথাও পাবেন না । বইটি সরাসরি Defense Academy থেকে নিতে হবে অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত হতে বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন।

দেখুনঃ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চাইলে কি কি যোগ্যতা লাগে | সহজ ৫টি টিপস

বিমান বাহিনী এর এমওডিসি হিসেবে ভর্তি পরবর্তী বেতন ভাতা ও অন্যান্য বিশেষ সুযোগ সুবিধা

বেতন ও ভাতাঃ প্রশিক্ষন পরবর্তী সরকারি নিয়মানুযায়ী পদবি অনুসারে আকর্ষণীয় বেতন ও ভাতা প্রাপ্ত হবেন। এছাড়া, প্রশিক্ষণকালীন মাসিক ৮০০০/- বেতন প্রদান করা হবে।

বিদেশে প্রশিক্ষন ও উচ্চ শিক্ষাঃ পেশাগত প্রশিক্ষণে সরকারি তত্ত্বাবধানে বিদেশে গমন ও উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনঃ যোগ্যতা ও পদবী অনুযায়ী জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে গমণের সুযোগ রয়েছে।

সন্তানদের অধ্যয়নঃ যোগ্যতার ভিত্তিতে বিমান বাহিনীতে চাকুরিরতদের সন্তানের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি, বিইউপি, আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজ, এমআইএসটি, ক্যাডেট কলেজ ও বিমান বাহিনী পরিচালিত বিএএফ শহীন স্কুল ও কলেজে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে।

রেশন ও বাসস্থানঃ ভূর্তকি মূল্যে রেশন ও পরিপাটি সুন্দর পরিবেশে আবাসন ব্যবস্থার সুযোগ রয়েছে।

চিকিৎসা সুবিধাঃ বিমান বাহিনীর বিভিন্ন হাসপাতাল ছাড়াও নৌ ও সেনাবাহিনীর সকল হাসপাতালে নিজ, স্ত্রী ও সন্তান, পিতা-মাতা ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে।

পরিবহন সুবিধাঃ নিজ, পরিবার ও সন্তানদের জন্য বিমান বাহিনীর নিজস্ব গাড়ি ও বিমান যোগে এক ঘাঁটি হতে অন্য ঘাঁটিতে গমনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

শেষকথা

বিমান বাহিনীর বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বিমান বাহিনীর নিজস্ব ওয়েবসাইট ও জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এছাড়া, নিয়োগ পরীক্ষা বিমান বাহিনীর ইউনিফর্ম ও আইডি কার্ড বহনকারী সদস্যদের দ্বারা গ্রহণ করা হয়ে থাকে। তাই ভর্তির ব্যপারে কোন চক্র দ্বারা প্রতারিত হবেন না।

Leave a Comment